Header Ads Widget

News Portal Advertisement

Welcome to Our News Portal

Stay updated with the latest news and trending stories from around the globe.

ঈশ্বরদীতে উত্তরবঙ্গ মৌ-চাষী সমিতির সম্মেলন অনুষ্ঠিত 

ঈশ্বরদী (পাবনা) উপজেলা সংবাদদাতা: পাবনার ঈশ্বরদীর অভিজাত আরআরপি কমিউনিটি সেন্টারে উত্তরবঙ্গ মৌ-চাষী সমিতির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার ২৯ নভেম্বর সকালে ১৬ জেলার মৌচাষী এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহা-পরিচালক ডক্টর কবির উদ্দিন আহমেদ।
কীটতত্ত্ব বিভাগ শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ড. আতাউর রহমান পরিচালক (গবেষণা) বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বরদী পাবনা, ডঃ মোঃ আতিকুল ইসলাম রসায়ন বিভাগ, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিনাজপুর, জগদীশ চন্দ্র সাহা সাবেক মহাব্যবস্থাপক প্রাক্তন প্রকল্প পরিচালক মৌমাছি পালন প্রকল্প ঢাকা ও আব্দুল্লাহ আল মামুন (পিএইচডি) অতিরিক্ত মহাপরিচালক পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বগুড়া।
এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন উত্তরবঙ্গ মৌ-চাষী সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক শিশির কুমার সাহা ও ঘরের বাজার হানিরাজ কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ জয়নাল আবেদীন। অনুষ্ঠান সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন মৌচাষী মোঃ ওয়াজেদ আলী চৌধুরী।
বক্তারা বলেন, মৌ চাষ একটি লাভজনক পেশা। আমাদের দেশে মধুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিটা খাঁচায় একটি করে রানী মৌমাছি রয়েছে।  মৌমাছি ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে খাঁচায় এনে রাখে। মৌ চাষিরা খাঁচা থেকে মধু সংরক্ষণ করে। মধু হচ্ছে প্রাকৃতিক একটি খাবার। বাজারে চার থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে  মধু বিক্রি হচ্ছে। সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌমাছির খামার থাকায় পরগায়নের কারণে ফলন তুলনামূলক বৃদ্ধি পায়। ফলন বৃদ্ধি হওয়ায় কৃষকরা বেশি বেশি সরিষা চাষ করে থাকেন। দেশে ভোজ্য তেলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই মৌসুমে সরিষা থেকে তেল পাওয়ায় অন্য তেলের চাহিদা কিছুটা কমে যায়। আধুনিক আর্টিফিশালি মৌরানী তৈরি করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে মৌ চাষিরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই সংগঠনকে টিকিয়ে রেখেছেন। আমাদের দেশে এখনো মৌ চাষের উপর পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু হয়নি। আশির দশকে যা শিখেছি বর্তমানে চাষীদের উন্নয়নে দক্ষতার প্রয়োজন। উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পলিসি সম্বন্ধে চাষীদের জানতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সকলের সহযোগিতায় এই সম্মেলন অবদান রাখবে। মৌস্বাস্থ্য ও গুণগত মানের মধু উৎপাদন করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন নতুন মৌচাষী গড়ে তুলতে হবে। দেশে যত বেশি মৌচাষী গড়ে উঠবে, তত বেশি মধু উৎপাদন করা যাবে। মধু আমাদের দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

Post a Comment

0 Comments