ঈশ্বরদীতে হঠাৎ দেখা মিলেছে ঘন কুয়াশার। শীতকালের মত এমন স্নিগ্ধ কুয়াশায় ছিল কিছুটা ঠান্ডা ভাবও।
আজ মঙ্গলবার (৬ মে) ভোরে এমন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে শহরের প্রকৃতি, গাছ-পালা, মাঠ-ঘাট। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে গরমের তীব্রতা বেড়ে যায়। সকাল ৯টার দিকে হালকা বৃষ্টিপাতও হয়।
ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, ঘন কুয়াশায় ঢাকা ঈশ্বরদীর প্রকৃতি, গাছ-পালা, মাঠ-ঘাটের দৃশ্য ছিল শীতকালের কনকনে শীতের সকালের মতো। এমন দৃশ্য সাধারণত বৈশাখে দেখা মেলে না। এ সময় বাই সাইকেলে করে কাজের সন্ধানে বের হয়েছেন সাইদুর রহমান নামে নির্মাণ শ্রমিক। তিনি প্রতিদিনই ভোরে কাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তার কাছে হঠাৎ ঘন কুয়াশা কেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমিও এমন দৃশ্য আগে দেখেনি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দুইদিন ধরে একটু ঠান্ডাও লাগছে।’

এপ্রিলের মাঝামাঝিতে ঈশ্বরদীতে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ২৩ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বইতে থাকে মাঝারি তাপপ্রবাহ। কয়েকদিনের তাপপ্রবাহের পর ২৯ এপ্রিল ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় ঈশ্বরদীতে। এর পর তাপমাত্রা কমতে থাকে কয়েকদিনধরে রাতে কিছুটা ঠান্ডাও অনুভূত হয়।
৫ মে ঈশ্বরদীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন ৪ মে তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ২ ডিগ্রিসেলসিয়াস।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, জলীয় বাষ্প ঘন হয়ে মেঘের সংস্পর্শে এসে কুয়াশার সৃষ্টি করে। এ সময় ঠান্ডাও অনুভূত হয়। তবে এ কুয়াশা বেশি সময় স্থায়ী হয় না।
0 Comments