ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধিঃ ঈশ্বরদী থানাধীন জনৈক মোঃ জিয়ারুল ইসলাম (৪৬) গত ২০/০৬/২০২৫ তারিখ অনুমান দুপুর ১২.৪৫ ঘটিকার সময় তাহার ব্যবহৃত টিভিএস কোম্পানির স্টাইগার ১২৫ সিসি লাল/কালো মোটরসাইকেলটি ঈশ্বরদী থানাধীন খায়রুজ্জামান বাবু বাস টার্মিনাল ভবনের ভিতরে তালাবদ্ধ করে ঢাকা কোচের টিকিট কাটার জন্য বাস কাউন্টারে গেলে অনুমান ১২.৪৫ ঘটিকা হতে দুপুর ০২.১৫ ঘটিকায় তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উক্ত স্থানে আর খুঁজে পান নাই। মোটরসাইকেলটি অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা অসৎ উদ্দেশ্যে চুরি করিয়া নিয়া যায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ঈশ্বরদী থানায় একটি চুরি মামলা রুজু হয়। যাহার মামলা নং-২৭, তারিখ-২০/০৬/২০২৫ খ্রিঃ ধারা-৩৭৯ পেনাল কোড।

পাবনা জেলার পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) পাবনা এবং ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পাবনার তত্ত্বাবধায়নে, অফিসার ইনচার্জ ঈশ্বরদী থানার নেতৃত্বে ঈশ্বরদী থানার একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদ ও আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার এবং বাদী সহ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঈশ্বরদী থানাধীন সাঁড়া ঝাউদিয়া ব্লক পাড়া নদীর ঘাট এলাকা হতে ইং ২২ জুন রাতে অভিযান পরিচালনা করে মোটরসাইকেল চুরির সাথে সম্পৃক্ত আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত দুইজন শিশুকে (একজনের বয়স ১৭, অপরজনের বয়স ১৬) আটক করা হয় । তাদেরকে জিজ্ঞাসা বাদ অন্তে তাদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে ঈশ্বরদী থানাধীন ঈশ্বরদী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড ঈশ্বরদী খায়রুজ্জামান বাবু বাস টার্মিনাল ভবনের পেছনে ফাঁকা জায়গায় সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন ঝোপঝাড়ের মধ্যে লুকানো অবস্থায় বাদীর হারানো মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। এই চোর চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক মোটরসাইকেল চুরির মামলা আছে। তাদেরকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ হেফাজতের জন্য বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
0 Comments