ঈশ্বরদী (পাবনা) উপজেলা সংবাদদাতা: বর্ষায় বৃষ্টির পানিতে সবজির ক্ষেত তলিয়ে যাওয়া ও নতুন সবজি রোপণ করতে না পারায় স্থানীয় বাজারে কমেছে মৌসুমী সবজির আমদানি। মরিচের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি হওয়ায় ঝালে পুড়ছে জিভ, অস্বস্তি সবজিতে। চাহিদার তুলনায় বাজারে আমদানি কম থাকায় উর্দ্ধমূখী সবজির বাজার। লাগামহীন এই সবজির মূল্যবৃদ্ধির ফলে মধ্যবিত্ত ও নিন্মমধ্যবিত্তের জীবনে বিরুপ প্রভাব পরেছে।
ঈশ্বরদী উপজেলার সবচে বড় কাঁচা সবজির বাজার দাশুড়িয়া, বড়ইচারা ও ঈশ্বরদী পৌর মার্কেট সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৩০০/৩২০ টাকা, লাউ (প্রতি পিচ) ৬০ টাকা, আলু ১৮ টাকা, পটল ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, বেগুন ১৩০ টাকা, কচু ৪০,কাঁচা কলা হালি ২৫-৩০ টাকা, শিম ১৫০ টাকা, শাক ১৫ টাকা আটি, লেবু ৪০ টাকা হালি ( কেজি ৭০), পুঁই শক ৩০-৪০ টাকা কেজি, ধুন্দল ৪০, ঝিঙে ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০, মুলা ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি, চাল কুমড়া আকার ভেদে ৩০-৬০ টাকা প্রতিপিচ, পেঁয়াজ ৬০-৭০ টাকা কেজি,পেঁপে ২০-২৫, ওল ৬০ টাকা, বাধা কপি ৬০, ফুল কপি ৮০-৯০, করলা ৯০-১০০, কাকরোল ৬০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ঈশ্বরদী পৌর কাঁচা বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা সুরুজ মিয়া বলেন, টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির কারনে ঈশ্বরদীর অনেক সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। যেসব কৃষকরা আগে মাল আনত ভ্যান ভরে তারা এখন মাল আনে ব্যাগে করে সাইকেলের সাথে ঝুলিয়ে। উৎপাদন কমে যাওয়ায় মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে মন্তব্য করেন এই বিক্রেতা।
বাজার করতে আসা অটো চালক মো. মাসুম বিশ্বাস বলেন, ‘প্রতিদিনই সবজির দাম কিছু না কিছু বাড়তেই আছে। এভাবে বাড়তে থাকলে আমরা বিপদে পড়ে যাব।’
দাশুড়িয়া বাজারের সবজি বিক্রেতা মো সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টির কারনে বাজারে সবজির আমদানি একেবারেই কম। তাছাড়া অনেক কৃষকের ক্ষেত পানিতে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমদানি কম থাকায় সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। আমরা যেহেতু কিনছি বেশী দামে কম দামে কেমন করে বিক্রি করি। আমাদেরও তো পরিবার আছে।’
0 Comments